’বনজুঁই’ জীবনানন্দের ‘ভাঁটফুল’ : ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’

’বনজুঁই’ জীবনানন্দের ‘ভাঁটফুল’ : ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’

চারণ মুসাফির,

’ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিলো ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিলো পায়।’

রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাসের ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ কবিতার শেষ লাইন দুটো যেন ভাট ফুলকে সৌন্দর্যের স্বীকৃতি দিয়েছে। গ্রামবাংলার মেঠোপথের অহংকার এ ফুল। ঝোপঝাড়ে বা রাস্তার পাশে যে বুনোফুলগুলো বেশি দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম এ ফুলটি। ভাট ফুলকে বনজুঁই ও ঘেটু নামেও ডাকা হয়।

ছোটো আকৃতির নরম শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট গাছটির ঝোপ আকৃতির মধ্যে যে তোড়ায় তোড়ায় সাজানো ফুলগুলো থাকে তার একটি তোড়াও সহজে ছেঁড়ার উপায় নেই। ফুলের ডাল বেশ শক্ত। সাদা ফুল আর লালচে পুষ্পদণ্ডের মাঝখান দিয়ে যেন বিড়ালের লম্বা সাদা গোঁফ বেড়িয়েছে। বীজ থেকে গাছ হয়ে থাকে। বর্ষায় ফুল বেশি ফোটে।

ঔষধিগুণ: চর্মরোগ ও ম্যালেরিয়া রোগে এবং পোকামাকড় কামড়ালে এই ফুলকে আরোগ্যের জন্য বিবেচনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন




themesads

© All rights reserved © 2020 crimefolder.com
কারিগরি সহযোগীতায়: Creative Zone IT