ডেসটিনি এমডির জামিন শুনানি শেষ, আদেশ ২৭ সেপ্টেম্বর

ডেসটিনি এমডির জামিন শুনানি শেষ, আদেশ ২৭ সেপ্টেম্বর

অর্থপাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিনের জামিন শুনানি শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিন ঠিক করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রফিকুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

মানি লন্ডারিং এর অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুদক। ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্লানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা এবং এক হাজার ১৭৮ কোটি ৬১ লাখ ২৩ হাজার ২০৪ টাকা আত্মসাত করে পাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এই মামলা দুটি করা হয়। ২০১৪ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ওই মামলায় ২০১৬ সালের ২০ জুলাই ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ও এমডি রফিকুল আমীনকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে দুদকের আবেদনে তা স্থগিত করে দেন আপিল বিভাগ। পরবর্তীতে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানির একপর্যায়ে তাঁদের লাগানো ৩৫ লাখ গাছের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাছ বিক্রি করে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা দেবেন- এমন শর্তে আপিল বিভাগ তাঁকে জামিন দেন আপিল বিভাগ। গাছ বিক্রি করতে না পারলে নগদ দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়। ওই শর্ত সংশোধন চেয়ে ২০১৭ সালে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রফিকুল আমীন।

ওইসময় শুনানিতে ডেসটিনির আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘গাছ ছাগলে খেয়ে ফেলেছে।’ এরপর ওই জামিন আবেদন ওই বছরের ৩০ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়। ফলে তাঁদের আর মুক্তি হয়নি। গতবছর আবারো জামিন চেয়ে আবেদন করা হয় আপিল বিভাগে। গতবছর ১৭ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ তাঁদের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এ অবস্থায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তাঁরা। গত ২২ জুলাই ওই আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

সর্বশেষ গত ২০ আগস্ট অর্থপাচারের দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের এমডি রফিকুল আমিনের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই দুই মামলা বিচারিক আদালতে ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। পরে হাইকোর্টের জামিন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রফিকুল আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন




themesads

© All rights reserved © 2020 crimefolder.com
কারিগরি সহযোগীতায়: Creative Zone IT