একাধিক নাশকতার সাথে জড়িত এমদাদুল গ্রেফতার এড়াতে এখন লিজিং কোম্পানীর কর্মকর্তা

একাধিক নাশকতার সাথে জড়িত এমদাদুল গ্রেফতার এড়াতে এখন লিজিং কোম্পানীর কর্মকর্তা

কুষ্টিয়ার বড় বাজারে অবস্থিত লিজিং কোম্পানী আইডিএলসিতে চাকুরী নিয়ে একাধিক নাশকতার সাথে জড়িত থেকেও নিজের গা বাচিয়ে চলার চেষ্টা করছে এমদাদুল। বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের টেন্ডারবাজ পাথর রেজাউলের গুনধর পুত্র ইমদাদুল কুষ্টিয়া আইডিএলসিকে জামায়াত বিএনপির অর্থায়নী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

জরিপে দেখা যায়, এ পর্যন্ত আইডিএলসি যে সকল গ্রাহককে লোন দিয়েছেন তাদের অধিকাংশ জামায়াত, বিএনপি পন্থী ব্যবসায়ী। জামায়াত বিএনপির ব্যবসায়ীরা এদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। জামাত বিএনপির ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করতে আইডিএলসি কর্মকর্তা ইমদাদুল প্রগতিশীল ব্যবসায়ীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক ব্যবসায়ী ইমদাদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে নাই কর্ত্তৃপক্ষ। ইমদাদুলের পিতা পাথর রেজাউল জামায়াত বিএনপি জোট সরকারের সময় কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগকে জিম্মি করে এক চেটিয়া টেন্ডারবাজি করেছে। টেন্ডারবাজিকে কেন্দ্র করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের গেটে তিনটি দেহবিহীন মস্তক রেখে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে পাথর রেজাউল নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে তার ছোট ভাই এবং ছেলেকে জিয়ার আর্দশের সৈনিক হিসেবে মাঠে নামিয়ে দেয়। এতে তার ভাই ছাত্রদল সভাপতি মিথুন একাধিকবার কারাভোগ করলেও ছেলে ইমদাদুল রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

জানা যায়, তার পুত্র ইমদাদুল ঢাকায় আইইউবিতে পড়ালেখা করতো। সেখানে ছাত্রদলের ক্যাডার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে পড়ালেখা শেষে তার পিতা পাথর রেজাউল আইলচারার এক চাউল ব্যবসায়ীর কাছে ছেলের চাকুরীর জন্য ধর্ণা দিতে থাকেন। ওই চাউল ব্যবসায়ীর মিলে শায়খ রহমান ও বাংলা ভাইকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব পুলিশ হেলিকপ্টার সহ অভিযান চালায়। বাংলা ভাই এবং শায়খ রহমান সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পাথর রেজাউল তার বিএনপি লাইনে চেষ্টা করে ছেলেকে আইডিএলসিতে চাকুরী দিতে সক্ষম হয়। ওই চাউল ব্যবসায়ীর সুপারিশে চাকুরী হয়ে ইমদাদুলের। পাথর রেজাউল একচেটিয়া ঠিকাদারী করে বিপুল অর্থের মালিক হলেও ছেলেকে শুধুমাত্র নাশকতা মামলা থেকে বাঁচাতে চাকুরীতে দেন। বড় বাজারের যমুনা ব্যাংকের সামনে গাড়ি পোড়ানো এবং ভাংচুর, কোর্টষ্টেশনে রেললাইনে অগ্নি সংযোগ সহ অনেকগুলো নাশকতার সাথে জড়িত মিথুন ও তার ভাতিজা ইমদাদুল হক রাজু। কিন্তু চাকুরী করার কারণে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সে পাড় পেয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ইমদাদুলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাংবাদিকের সাথে কোন রকম কথা বলার প্রয়োজন নেই। এদিকে আইডিএলসির ডেপুটি ম্যানেজার আজাদ ব্যাপারীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোন অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন




themesads

© All rights reserved © 2020 crimefolder.com
কারিগরি সহযোগীতায়: Creative Zone IT